সোলার টেকনোলজি, কোয়ান্টাম কম্পিউটার, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স তিনটি ভবিষ্যৎ প্রজুক্তি

ব্লকচেইন টেকনোলজি ছিল গত ১০( ২০০৯ থেকে ২০১৯) বছরের টেকনোলজি, তার আগের ১০ বছর ছিল সমাজিক যোগাযোগের, তার আগের ১০ বছরছিল কম্পিউটার আর্কিটেকচারের।

ভবিষ্যতবানি করা দরকার তাই বলছি আগামি ১০ বছর হবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সেটা বোঝাই যাচ্ছে এবং সবাই সেই দিকেই দৌড়াচ্ছে কিন্তু মুসখিলটা হলো।

১. এটা আরম্ব করা যায় শুধু প্রগ্রামিং শিখে।

২. বড় ডাটা সেট নিয়ে যখন কাজ আরম্ব হয় তখন খরচটা বেড়ে যায় এক লাফে, যদি ক্লাউড ব্যাবহার করেন তা অন্যদের সার্ভিস আর যদি নিজে করেন তাহলে সার্ভার বানানোর খরচ অনেক।

৩.তখন অন্যদের বানানো সার্ভিসের এপিআই ব্যাবহারই স্রেয় মনে হয়। যেমন, গুগল এআই, আবিএম ওয়াটসন অথবা ফেসবুকে উইট এআই।

সোলার নিয়ে কেউ কাজ করেনা কারন আমাদের মত দেশে প্রগ্রমিং এর সাথে এর মিলন কখনও ঘটে নাই এবারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে সোলার টেকনোলজির মিলন ঘটতে বাধ্য, আমাদের বিদ্রুতের ইনডিভিজুয়ালাইজেসন দরকার, মিটার এরং সরকারি কর্তিপক্ষ এই একমাত্র উপায় নয় তাই সোলার টেকনোলজি ই আমাদের ভবিষ্যৎ কারন।

১. এটা খুব সস্তা কিন্তু ফ্রি না।

২. সরাসরি এই বিদ্যুত আমাদের কাজে লাগে।

৩. ব্যাটারি বানানোতে আমাদের কোন রেসট্রিকসন নাই।

এবারে আসি কোয়ান্টাম কম্পিউটারে। বিষয়টি যে সমস্ত গানিতিক সমস্যার সমাধান দেবে বলা হোচ্ছে তা নিশ্চই দেবে কিন্ত

১. এটা আমাদের পুরানো কম্পিউটার গুলোকে বাতিল হোয়ে যেতে দেবেনা।

আমারা অনেক চেষ্টা করেও আামাদের কালচারকে শ্রমিক কালচার করতে পাড়ি নাই, যে শৃঙ্খলার মানুষিকতা একটা শ্রমিক কলচারে থাকতে হয় তা আমাদের নাই, সমাজিক বা পারিবারিক ততটুকু শৃঙ্খলাই আমরা ব্যাবহার করি যা আমাদের বেচে থাকাতে প্রয়োজন কিন্তু এই তিনটি টেকনোলজি আমাদের ব্যাক্তি জীবনকে ক্ষতিকর শৃঙ্খলা থেকে মুক্ত করে দেবে মানুষ্য প্রজাতির বাইবের যে সমস্ত জিনিসের প্রভাব আামাদের শরীরে আছে আনুভবে সাহায্য করবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: